অনুসন্ধান    

Logo

 

ব্র্যাক এর সেবা সমূহ

অতিদরিদ্র কর্মসূচি

অর্থনৈতিক পিরামিডের ভিত্তিস্তর বসবাসকারীদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য অতিদরিদ্র কর্মসূচি বিশেষ ভূমিকা পালন করে। চরম দারিদ্রপীড়িত এই জনগোষ্ঠীকে নিজেদের ন্যূনতম থাদ্য চাহিদা পূরণ করতেও প্রচুর সংগ্রাম করতে হয়। এর ফলে তারা ক্ষুদ্রঋণ ও মূলধারার অন্যান্য দারিদ্র বিমোচন কর্মসুচির আওতায় আসতে সক্ষম হয় না।অতিদরিদ্র দূরীকরণে এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূলস্রোতধারার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্তকরণের লক্ষ্যে ২০০২ সালে ব্র্যাক চ্যালেঞ্জিং ফন্টিয়াস পোভার্টি রিডাকশন- টার্গেটিং দি আল্টা পুওর ( সিএফপআর-টিইউপি) কর্মসূচির যাত্রা শুরু হয়।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে সামগ্রিক উন্নয়ন সহায়তা প্রদান হিসাবে সম্পদ হস্তান্তর/সহজ শর্তে ঋণ এবং অনুদান, এন্টারপ্রাইজ উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, সহায়ক ভাতা, স্বাস্থ্যসেবা এবং সাপ্তাহিক হোম ভিজিটের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ করা হয়।

২০১২ সাল থেকে কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের কাজ চলছে। বর্তমানে এই কর্মসূচি দুটি কর্মকৌশলে কাজ করছে। একটি হচ্ছে special invesment programme (SIP)। এই কৌশলে specially targeted ultra poor (STUP) জনগোষ্ঠীকে সামগ্রিক প্যাকেজের আওতায় বিনামূল্যে সম্পদ হস্তান্তর করা হয়। অন্য দিকে other targeted ultra poor (OTUP) জনগোষ্ঠীকে credit plus grant approach (CPG) এর আওতায় অনুদান, ক্ষুদ্র বাণিজ্য-উদ্যোগের প্রশিক্ষণ, সহায়ক ভাতা, স্বাস্থ্য সেবা, সামাজিক সেবা, মাসিক হোম ভিজিটের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ প্রদানসহ সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হয়। ২০০২ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত নীলফামারী জেলায় ২৯১৯২ জন সদস্য এই কর্মসুচির আওতাভূক্ত হয়েছে । এর মধ্যে ২৮৪৩২ জন সদস্যকে বিনামুল্যে সম্পদ হস্তান্তর করা হয়েছে এবং ৭৬০ জন সদস্যকে সহজ শর্তে ঋণ প্রদান করা হয়েছে। বর্তমানে নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলায় এই কর্মসূচি চলমান আছে।

জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভাসিটি কর্মসূচি

জেন্ডার জাস্টিস অ্যান্ড ডাইভারসিটি ( জিজেডি)  কর্মসুচি জেন্ডারসমতা প্রতিষ্ঠা ও নারীর ক্ষমতায়নের জন্য সংস্থার অভ্যন্তরে এবং কমিউনিটি পর্যায়ে বিভিন্ন উদ্যোগ ও কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। ব্র্যাকের মূলধারার বিভিন্ন কর্মসূচি ও বিভাগে জেন্ডার ইস্যুসমূহ সম্পৃক্তকরণের লক্ষ্যে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, কর্মীপর্যায়ে ব্র্যাকের বিভিন্ন নীতি ( যৌন হয়রানি নির্মূলকরণ নীতি,জেন্ডার নীতি ইত্যাদি) সম্পর্কে ধারণা প্রদান ও প্রচার মাধ্যমে জেন্ডার সংবেদনশীল নিরাপদ কর্মপরিবেশ গড়ে তোলা, ব্র্যাকের জেন্ডারসমতার লক্ষ্য অর্জনের কর্মকৌশল নির্ধারণ ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়ন ইত্যাদি নানা উদ্যোগ ও কর্মসূচি পালন করছে। কমিউনিটি পর্যায়ে ভারসাম্যপূর্ণ জেন্ডার সম্পর্ক স্থাপন এবং নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে জিজেডি নারীর প্রতি সহিংসতা এবং নারী ও মেয়েশিশুর প্রতি যৌন হয়রানি নির্মূলকরণ, যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি, ঢাকা শহরের দরিদ্র শিশুদের মানসিক, শারীরিক ও বৃদ্ধিবৃত্তিক বিকাশ সাধনের পরিবেশ সৃষ্টি, নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, প্রচলিত জেন্ডায়ভূমিকায় পরিবর্তন আনায়ন ইত্যাদি বিষয় নিয়ে কাজ করছে।

মাইগ্রেশন কর্মসূচি

মাইগ্রেশন কর্মসূচি অভিবাসী শ্রমিক ও তাদের পরিবারের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির প্রয়াসে সচেতনতা বৃদ্ধি, নিরাপদ মাইগ্রেশন প্রক্রিয়ায় সহায়তা প্রদান এবং তাদের জন্য জনগোষ্ঠীভিত্তিক উন্নয়ন উদ্যোগগুলোকে সহজলভ্য করার জন্য কাজ করে। কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে মানবাধিকার সুরক্ষা ও নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে বাংলাদেশী অভিবাসী শ্রমিক এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করা।

এই কর্মসূচি অভিবাসন প্রক্রিয়া নিরাপদ করার জন্য কমউনিটিভিত্তিক সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সম্পৃক্ত করে ঐ এলাকার জনগোষ্ঠীর বিদেশগমন পূর্ব সচেতনতা বৃদ্ধি, বিদেশ প্রত্যাগত কর্মীদের কর্ম দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সামাজিক ও আর্থিকভাবে পুনরায় অঙ্গীভুতকরণ এবং বিদেশ খেকে তাদের প্রেরিত অর্থের যথাযথ ব্যবহারে সাহায্য করে।

নারীদের নিরাপদ অভিবাসনে নিশ্চিতকরণে অগ্রাধিকার দিয়ে মাইগ্রেশন কর্মসূচি ব্র্যাকের অন্যান্য কর্মসূচির সঙ্গে একত্রে কাজ করছে। এর মাধ্যমে কর্মসূচি অভিবাসী শ্রমিকদের সমন্বিত সেবা প্রদান করে। এছাড়াও এই কর্মসূচি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সহযোগ, সংযুক্তি ও সহায়তার মাধ্যমে অভিবাসনের বিভিন্ন খাতে নীতিনির্ধারক ও তাদের বাস্তবায়নকারীদের যুক্ত করেছে। এই কর্মসুচির নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলাসহ বাংলাদেশের সবচেয়ে অভিবাসনপ্রবন ৩৩টি জেলার ১২৪টি উপজেলার মানুষকে সহায়তা প্রদান করছে।

মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসিূচি

উদ্ভাবন, টেকসই এবং জনগোষ্ঠীকেন্দ্রিক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্মসূচি ব্র্যাকের সামগ্রিক কর্মকৌশল অনুসরণ করে প্রান্তিক মানুষের জীবন ও জীবিকার উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করছে। গত চার দশকের অভিযাত্রায় এই কর্মসূচি দরিদ্রদের আর্থিক সহায়তা এবং জীবনমান উন্নয়নের উপকরণ জুগিয়ে এক্ষেত্রে বিশ্বের সর্ববৃহৎ সেবাদানকারী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরেছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ এই সহায়তা নিয়ে তাদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার জন্য প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে।

ব্র্যাক সামাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচি

ব্র্যাকের সমাজিক ক্ষমতায়ন কর্মসূচি জনগোষ্ঠীকে উদ্বুদ্ধকরণ ও সচেতনতাকে কাজে রূপান্তরের মাধ্যমে দরিদ্র জনগণ বিশেষত নারীর ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে কাজ করে ।এই কর্মসূচি গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার প্রয়াস চালিয়ে যাচ্ছে। দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মানবিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অনুশীলন ও দক্ষতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এই কর্মসূচি কার্যকর ভুমিকা পালন করে,যাতে তারা তাদের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হয়ে তা আদায়ে তৎপর হয়, শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং জনজীবনে আর সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে সমর্থ হয়।

জনগোষ্ঠীভিত্তিক সংগঠন তৈরি, স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালীকরণ, তথ্যে প্রবেশগম্যতার নিশ্চয়তা এবং নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ- এসব ক্ষেত্রে সরাসরি যুক্ত থেকে এই কর্মসূচি তার লক্ষ্য অর্জনের পক্ষে এগিয়ে চলেছে। দেশব্যাপী ১৩৭১২ টি ( নীলফামারী জেলায় ২১৮ টি পল্লী সমাজ ও ২৯ টি ইউনিয়ন সমাজ) পল্লী সমাজগ গ্রামীণ দরিদ্র জনগণের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার প্রয়াসে কাজ করে এবং সংগঠিত মানুষ সম্মিলিত কর্মকান্ডের মাধ্যমে নিজেদের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনায়ন করে।স্থানীয় সরকারের দক্ষতা পর্যায়ক্রমিকভাবে বৃদ্ধিপাওয়ার করণে অধিক সার্বজনীনতা, আরও বেশি জবাবদিহি  এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত সম্ভব হচ্ছে। গ্রামীণ জনগোষ্ঠী ক্রমাগত মানবাধিকার লঙ্ঘনজনিত ঘটনাগুলো অবলোকন ও প্রতিরোধের মাধ্যমে নারী ও শিশুর জন্য নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।তথ্যে অধিক প্রবেশগম্যতার ফলে গ্রামের দরিদ্র জনগণ আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠেছে এবং জীবনের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হচ্ছে।গণনাটক এবং কমউনিটি রেডিও তথ্য প্রদানের উদ্ভাবনী ও কার্যকর পদ্ধতি হিসাবে প্রমানিত হয়েছে।

ব্র্যাক মাবাধিকার ও আইন সহায়তা কর্মসূচি

ব্র্যাকের মানবাধিকার ও আইন সহায়তা ( এইচআরএলএস) কর্মসূচি বিশ্বে বেসরকারী পর্যায়ে পরিচালিত এধরনের সর্ববৃহৎ কর্মসূচি। এর আওতায় দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে তিনস্তরবিশিস্ট কৌশল তথা আইনশিক্ষা, আইনি সহায়তা এবয় জনউদ্বদ্ধুকরণসহ অন্যান্য সহযোগিতা প্রদান করা হয়। এই কর্মসূচির লক্ষ্য হচ্ছে মানব উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে বৈষম্য ও বঞ্চনা থেকে রক্ষা করা এবং মানব উন্নয়নের অধিকার ভিত্তিক কর্মকৌশল প্রয়োগ করে তাদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করা।

মানবাধিকার ও আইন সহায়তা কর্সূচির সুনির্দষ্ট বৈশিষ্ট্য গুলো হচ্ছে:

  • দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে মানবাধিকার ও আইন সম্পর্ককে সচেতন করে তোলা এবং তাদের ক্ষমতায়ন ঘটানো।
  • প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর সুবিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করা।
  • শিশূ ও নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে আইনি ব্যবস্থাকে কাজে লাগানো ।
  • মানবাধিকার ও জেন্ডারসাম্যের নৈতিকতার উপর ভিত্তি করে আইনি প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সচেতন করে তোলা।
  • তথ্য অধিকার এবং আইনি সেবায় প্রবেশাধিকার নিশ্চিতকরণে প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারএবং সর্বোত্তম অনুশীলনসহকারে এগিয়ে যাওয়া।

ব্র্যাক স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা কর্মসূচি

এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য হলো সকল স্তরের বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠির মৌলিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকরণ।

ইমপ্রুভিং ম্যাটারন্যাল,নিওন্যাটাল এন্ড চাইল্ড সারভাইভাল( আইএমএনসিএস) প্রকল্প নীলফামারীতে এই কর্মসূচি কার্যক্রম শুরু  হয় আগষ্ট  ২০০৫ । এই কর্মসূচির উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা। নীলফামারী জেলায় পৌরসভা ব্যতিত সকল উপজেলার সকল ইউনিয়নের সকল গ্রামে মা, নবজাতক ও শিশুর স্বাস্থ্য সেবা সংক্রান্ত কার্যক্রম পরিচালিত  হচ্ছে। এর আওতায় অন্তর্ভক্ত সেবার মধ্যে রয়েছে গর্ভবতী চিহ্নিতকরণ, নিরাপদ প্রসব,প্রসব পরবর্তা পরিচর্যা, টিকা,স্বাস্থ্য ও পুষ্টি শিক্ষা,পরিবার পরিকল্পনা,নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও সাধারণ রোগের চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান। কর্মসুচিটি নীলফামারী জেলার পৌরসভা ব্যতিত সকল উপজেলার সকল ইউনিয়নের সকল গ্রামে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

যক্ষ্মা নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিঃ ব্র্যাক ১৯৯৬ সাল থেকে সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগের সহায়তায় নীলফামারী জেলা সৈয়দপুর ব্যাতিত বাকি ৫টি উপজেলায় যক্ষা নিয়ন্ত্রণ কর্মসুচি বাস্তবায়ন  করছে। এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য হচ্ছে যক্ষ্মা জনিত অসুস্থতায় আক্রান্ত ব্যক্তির দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা এবং এর প্রতিরোধ, বিস্তার ও মৃত্যু রোধ করা।

ব্র্যাক শিক্ষা কর্মসূচি

২০১৫ সালে সবার জন্য শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ব্র্যাক নীলফামারী জেলায় সকল উপজেলায় সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা দিয়ে আসছে। এই কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ব্র্যাক প্রি-প্রাইমারি স্কুল, ব্র্যাক প্রাইমারি স্কুল, ব্র্যাক শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি পরিচালিত স্কুল, ব্র্যাক কিশোর কিশোরী কর্মসুচি ও ব্র্যাক পোষ্ট প্রাইমারি বেসিক এ্যান্ড কন্টিনিউইং এ্ডূকেশন্

ব্র্যাক প্রি-প্রাইমারি স্কুল ঃএই কর্মসূচির আওতায় ৫-৬ বছরের শিশুদের ২৮-৩৩ জন নিয়ে প্রি-প্রাইমারি স্কুল তৈরি করে শিক্ষা দেওয়া হয় যাতে তারা কোর্স সমাপ্ত করে সহজে সরকারী, বেসরকারী রেজিষ্টার প্রাইমারি স্কুলে ভর্তি হতে পারে। সেই সাথে ব্র্র্যাক সরকারী, বেসরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থ নির্বাচন করে কোচিং এর মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি করে থাকে। এই সব কাজে ব্র্যাক শিক্ষা উপকরণ সরবারহের পাশাপাশি উপযুক্ত শিক্ষিকা নির্বাচন করে তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে। বর্তমানে নীলফামারী জেলায় ২২৯ টি প্রি-প্রাইমারি স্কুল চলমান যেখানে ৬৫১০ জন শিক্ষার্থী পড়াশুনা করছে।

ব্র্যাক প্রাইমারি স্কুলঃ ৮ থেকে ১০ বছর বয়সী যে সকল শিশু কোন দিন স্কুলে যায়নি বা প্রাইমারি স্কুল থেকে ঝড়ে পড়েছে সেই শিশুদের নিয়ে ব্র্যাক ৪ বছর মেয়াদী প্রাইমারি স্কুল পরিচালনা করে।ব্র্যাক শিক্ষার যাবতীয় উপকরণ সরবারহের পাশাপাশি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শিক্ষিকা তৈরি করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানে সহায়তা করে।বর্তমানে নীলফামারী জেলায় ২০৭টি প্রাইমারি স্কুল চলমান যেখানে ৭১১০ জন শিক্ষার্থী পড়াশুনা করে।

ব্র্যাক শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচিঃ এই কর্মসূচির আওতায় নীলফামারী জেলার ছয়টি স্থানীয় এনজিও এর মাধ্যমে ৮৯ টি প্রাইমারি স্কুল চলমান যেখানে ২৭২৫ জন শিক্ষার্থী আছে।

ব্র্যাক কিশোর কিশোরী উন্নয়ন কর্মসূচিঃ এই কর্মসুচির আওতায় কিশোরী ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয় যাতে কিশোর কিশোরীরা তাদের স্বাক্ষরতা ও পাঠাভ্যাস ধরে রাখার পাশাপাশি বাল্যবিবাহ, যৌতুক ইত্যাদির বিরুদ্ধে সচেতন এবং প্রজনন স্বাস্থ্য, নারী অধিকার , এইচআইভি/ এইডস ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞান লাভ করতে পারে। কিশোর কিশোরীদের নিয়ে বিভিন্ন ধরণের খেলাধুলা ( ফুটবল, ভলিবল, ক্রকেট) ও সাংস্কৃতিক  প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। নীলফামারী জেলায় বর্তমানে ১৯১টি কিশোরী ক্লাব আছে যেথানে ৬১১৪ জন সদস্য আছে।

পোষ্ট প্রাইমারি বেসিক এ্যা্ন্ড কন্টিনিউইং এডুকেশন ঃএই কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন করা । এই কর্মসুচির মধ্যে রয়েছে প্রধান শিক্ষকদের স্কুল ব্যবস্থাপনা ও স্কুল একশন প্লান তৈরি প্রশিক্ষণ, ইংজেরী, গনিত ও সাধারণ বিজ্ঞান এর শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক প্রশিক্ষণ, ছাত্রছাত্রীদের মেন্টরিং প্রশিক্ষণ, ছাত্রবন্ধু কার্যক্রম, গণকেন্দ্র পাঠাগার, বিতর্ক প্রতিযোগিতা , উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি প্রদান ( মেধাবিকাশ কার্যক্রম), মোবাইল লাইব্রেরী। এই কর্মসূচির আওতায় নীলফামারী জেলায় ৫৮ টি বেসরকারী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ৪০ গণকেন্দ্র পাঠাগার এবং ৩৩ জনকে উচ্চ শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়।


 

Contact 1:
জনাব মো: আজহারুল ইসলাম
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)
ফোনঃ ০৫৫১-৬১৩৪৬
মোবাইল: ০১৭১৮-৬৩১২৪৩
islam15913azhar@gmail.com

Contact 2:
পূদম পুষ্প চাকমা
সহকারী কমিশনার (এনজিও শাখা)
ফোনঃ ০৫৫১৬১২৮০
acngonilphamari@gmail.com

Contact 3:
মোঃ ইস্রাফিল আলম (এনজিও শাখা) অফিস সহকারী
ফোনঃ ০১৭৩৪২৭৭৪৮২

খ ম রাশেদুল আরেফীন
এনজিও সমন্বয়কারী, নীলফামারী।

প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর
আরডি আরএস বাংলাদেশ, নীলফামারী।
মোবাইল নং- ০১৭৩০৩২৮০৪৪

NGO সমূহ